ফজরের নামাজ – FOJORER NAMAZ

ফজরের নামাজ মোট ৪ রাকাআত।

  • সুন্নাত নামাজ ০২ রাকাআত
  • ফরজ নামাজ ০২ রাকাআত

সতর্কতা: সূর্য উদিত হওয়ার সময় নামাজ পড়া নিষিদ্ধ।

গুরুত্ব: দিনের প্রথম এই ইবাদতটি আপনার পুরো দিনকে বরকতময় করে তোলে।

নামাজের নিয়ত

সুন্নাত রাকাতের নিয়ত

বাংলায় উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাাহি তা’আলা রাকআতাই সালাতিল ফাজরি সুন্নাতু রাসূলিল্লাাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাাহু আকবার।
সহজ অর্থঃ আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কিবলামুখী হয়ে ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজ আদায়ের নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।
সহজ টিপস
নিয়ত মূলত মনের সংকল্প: আপনি যদি মুখে এই আরবি বা বাংলা শব্দগুলো উচ্চারণ করতে না পারেন। তবে কোনো সমস্যা নেই। আপনি কোন নামাজ পড়ছেন এবং কত রাকাত পড়ছেন—মনে মনে এই ইচ্ছা বা সংকল্প করলেই আপনার নিয়ত হয়ে যাবে।
ইমামের পেছনে পড়লে: ফরজ নামাজের সময় যদি ইমামের পেছনে দাঁড়িয়ে পড়েন। তবে নিয়তের সাথে মনে মনে বলবেন, এই ইমামের পেছনে কিবলামুখী হয়ে…
ভাষা কোনো বাধা নয়: আল্লাহ আমাদের মনের ভাষা জানেন। তাই আরবিতে বলতে কষ্ট হলে নিজের ভাষায় মনে মনে নিয়ত করে নামাজ শুরু করে দিন।

সুন্নাত রাকাতের নিয়ত

বাংলায় উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাাহি তা’আলা রাকআতাই সালাতিল ফাজরি ফারজুল্লাাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাাহু আকবার।
সহজ অর্থঃ আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কিবলামুখী হয়ে ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজ আদায়ের নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।
সহজ টিপস
নিয়ত মূলত মনের সংকল্প: আপনি যদি মুখে এই আরবি বা বাংলা শব্দগুলো উচ্চারণ করতে না পারেন। তবে কোনো সমস্যা নেই। আপনি কোন নামাজ পড়ছেন এবং কত রাকাত পড়ছেন—মনে মনে এই ইচ্ছা বা সংকল্প করলেই আপনার নিয়ত হয়ে যাবে।
ইমামের পেছনে পড়লে: ফরজ নামাজের সময় যদি ইমামের পেছনে দাঁড়িয়ে পড়েন। তবে নিয়তের সাথে মনে মনে বলবেন, এই ইমামের পেছনে কিবলামুখী হয়ে…
ভাষা কোনো বাধা নয়: আল্লাহ আমাদের মনের ভাষা জানেন। তাই আরবিতে বলতে কষ্ট হলে নিজের ভাষায় মনে মনে নিয়ত করে নামাজ শুরু করে দিন।

ফজরের সুন্নতের গুরুত্ব

রাসূল (সা.) বলেছেন, “ফজরের দুই রাকাত সুন্নত দুনিয়া ও তার মধ্যকার সবকিছুর চেয়ে উত্তম।” (সহীহ মুসলিম)।

ফজরের নামাজের অসাধারণ কিছু সুফল

ফজরের নামাজ কেবল দিনের প্রথম ইবাদতই নয়, বরং এটি একজন মুমিনের সফল ও বরকতময় দিন শুরুর মূল চাবিকাঠি। আধ্যাত্মিক ও জাগতিক উভয় দিক থেকেই ফজরের নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম।
  • আল্লাহর সরাসরি জিম্মাদারিতে থাকা
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ পড়ল, সে আল্লাহর জিম্মায় (নিরাপত্তায়) চলে গেল।” অর্থাৎ, সারাদিনের জন্য আল্লাহ ওই ব্যক্তির অভিভাবক হয়ে যান।
  • রিজিকে বরকত ও কল্যাণ
ভোরের সময়টি দোয়া কবুল ও বরকতের সময়। যারা ভোরে উঠে ইবাদত ও কাজ শুরু করে। তাদের রিজিকে আল্লাহ বিশেষ বরকত দান করেন। অলসতা কাটিয়ে দিন শুরু করায় কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
  • সারাদিন ফুরফুরে ও প্রশান্ত মন
ফজরের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে শয়তানের দেওয়া তিনটি গিঁট বা আলস্য ভেঙে যায়। ফলে নামাজি ব্যক্তি এক ধরণের স্বর্গীয় প্রশান্তি ও সজীবতা অনুভব করেন। যা তাকে সারাদিন প্রফুল্ল রাখে।
  • ফেরেশতাদের বিশেষ উপস্থিতি
কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, ফজরের নামাজে ফেরেশতারা উপস্থিত থাকেন এবং তারা আল্লাহর কাছে এই ইবাদতকারীর নাম ও আমলের সাক্ষ্য প্রদান করেন।
  • স্বাস্থ্যগত উপকারিতা
ভোরের নির্মল ও দূষণমুক্ত বাতাস ফুসফুস এবং হার্টের জন্য দারুণ কার্যকর। এছাড়া ভোরে ওঠার অভ্যাস শরীরের জৈবিক ঘড়িকে সচল রাখে। যা দীর্ঘমেয়াদে দুশ্চিন্তা ও বিষণ্ণতা দূর করতে সাহায্য করে।
  • জান্নাতের সুসংবাদ
যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজর ও আসরের নামাজ আদায় করবে। তার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে এবং তাকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না।